কোরআনের প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপি যেভাবে উদ্ধার করা হয়
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত প্রাচীন কোরআনের একটি পৃষ্ঠা আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক একাডেমিক জগতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপিটি রেডিওকার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে বলা হচ্ছে, এটি সম্ভবত মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সমসাময়িক বা তাঁর ওফাতের পরপরই (৫৭০-৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) লিখিত কোনো অনুলিপির অংশ। ইতিহাসের ধূলিজমা পাতা উল্টালে দেখা যায়, কোরআনের প্রাচীনতম লিপির এই অনুসন্ধান শুধু আধুনিককালের আবিষ্কার নয়; বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটি বিশ্বসভ্যতার এক অমূল্য রত্ন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। আদি আরবি প্রত্নলিপি বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপির আবিষ্কার ও কালক্রম নির্ধারণ নিয়ে আধুনিক প্রাচ্যবিদ ও পাণ্ডুলিপিশাস্ত্রীদের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গির বৈচিত্র্য রয়েছে। গবেষক মনির ইউসুফ তাহা উল্লেখ করেছেন যে বার্মিংহামের এই দুই পৃষ্ঠার পাণ্ডুলিপিটি হিজরি প্রথম শতক বা মহানবীর জীবদ্দশার খুব কাছাকাছি সময়ের বার্তা বহন করে, যা ইসলামের একদম শুরুর দিকের লিখিত কোরআনিক পাঠের ঐতিহাসিক সত্যতাকে আরও সুদৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। (মনীর ইউসুফ তাহা, আনাফ সাময়িকী , ...