বন্ধকি সম্পত্তি ব্যবহার: কখন বৈধ, কখন নয়
ঋণদাতা যেন তার দেওয়া ঋণের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে এবং নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়, সেজন্য ইসলামি আইনে ‘রাহন’ বা বন্ধকি ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বন্ধক বলতে এমন কোনো সম্পদকে বোঝায়, যা ঋণের বিপরীতে ঋণদাতার কাছে গচ্ছিত রাখা হয়। যদি ঋণগ্রহীতা নির্দিষ্ট সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তবে সেই সম্পদ থেকে ঋণের সমপরিমাণ অর্থ উসুল করে নেওয়া যায়। প্রশ্ন হলো, যতদিন সম্পদটি বন্ধক অবস্থায় থাকবে, ততদিন এই সম্পদ থেকে কে সুবিধা ভোগ করবে? ঋণদাতা, নাকি ঋণগ্রহীতা (যিনি ওই সম্পদের মূল মালিক)? বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো। বন্ধকগ্রহীতা কি সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন যিনি ঋণ দিয়েছেন এবং যার কাছে বন্ধকি সম্পত্তি গচ্ছিত আছে, তার জন্য ওই সম্পত্তি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি পরিস্থিতি হতে পারে: ১. ব্যবহারের শর্ত থাকলে: যদি ঋণ দেওয়ার সময় চুক্তিতেই শর্ত জুড়ে দেওয়া হয় যে ঋণদাতা বন্ধকি সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবে, তবে ইসলামি আইনে তা সম্পূর্ণ অবৈধ ও হারাম। ইসলামের একটি সর্বসম্মত ও স্বতঃসিদ্ধ মূলনীতি হলো, “যে ঋণ কোনো সুবিধা টেনে আনে, তা-ই সুদ।” (ইমাম বাইহাকি, আস-সুনান আস-সুগরা, ৪/৩৫৩, মাকত...