শিশুর মনে ইমানের বীজ বপন করবেন কীভাবে
শিশুর অন্তরে বিশ্বাসের বীজ রোপণ করা একটি সংবেদনশীল, মনস্তাত্ত্বিক ও মমতাময় শিল্প। রাসুল (সা.) মানবশিশুর এই সহজাত পবিত্রতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, “প্রত্যেক শিশুই ফিতরাত বা নিষ্কলুষ স্বভাবধর্মের ওপর জন্মগ্রহণ করে; অতঃপর তার মা-বাবাই তাকে ভুল জীবনাদর্শের দিকে পরিচালিত করে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৩৫৮) শিশুর মন উর্বর এক টুকরো নরম মাটির মতো; সেখানে বিশ্বাসের ফুল ফোটাতে হলে প্রয়োজন বয়সের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এক সুষম ও প্রজ্ঞাপূর্ণ শিক্ষাপদ্ধতি। মুখস্থ নয়, কৌতূহলের পাঠ আমাদের প্রচলিত ধারায় ধর্মশিক্ষার অর্থই দাঁড়িয়ে গেছে কিছু আরবি শব্দ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করানো। এতে হয়তো স্মৃতিশক্তির কসরত হয়, কিন্তু শিশুর অন্তরে আল্লাহর প্রতি কোনো আত্মিক টান বা ভালোবাসার অনুরণন তৈরি হয় না। বিশ্বাসের ভিত্তিটি গড়ে তুলতে হবে কৌতূহলোদ্দীপক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে। শিশুরা স্বভাবজাতভাবেই কৌতূহলী। তারা প্রতিনিয়ত চারপাশের জগতকে দেখে বিস্মিত হয়। একজন সচেতন অভিভাবক প্রকৃতির এই বিস্ময়কে স্রষ্টার পরিচয়ের সাথে যুক্ত করে দিতে পারেন। বাগানে ফোটা একটি রঙিন ফুল দেখিয়ে, আকাশের তারার মেলা দেখিয়ে কিংবা প...