‘যার আমানতদারি নেই তার ইমান নেই’
ইসলামি জীবনদর্শনে যে কয়টি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে ইমানের মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে ‘আমানত’ বা আমানতদারি অন্যতম। এটি কেবল কারো গচ্ছিত সম্পদ ফেরত দেওয়ার নাম নয়, বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করার এক মহান অঙ্গীকার। আমানতদারির অভাব মানেই ইমানের অপূর্ণতা। আল্লাহর রাসুল (সা.) যখনই খুতবা দিতেন, প্রায়শই একটি কথা বলতেন, “যার আমানতদারি নেই তার ইমান নেই, আর যার অঙ্গীকারের ঠিক নেই তার ধর্ম নেই।” (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১২৪০৬) পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের সতর্ক করে বলেছেন, “হে মুমিনগণ, তোমরা জেনে-শুনে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সঙ্গে খেয়ানত করো না এবং তোমাদের পরস্পরের আমানতসমূহেরও খেয়ানত করো না” (সুরা আনফাল, আয়াত: ২৭)। এই আয়াতের আলোকে আমানতের পরিধি যে কত বিস্তৃত, তা অনুধাবন করা জরুরি। শরীরকে ইবাদতের উপযুক্ত রাখা এবং ব্যায়াম ও সুষম খাদ্যের মাধ্যমে একে রোগমুক্ত রাখার চেষ্টা করা আমানতদারির অংশ। আমানতের বিচিত্র রূপ ও প্রকারভেদ ১. সঠিক নেতৃত্ব বাছাই: রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক যেকোনো প্রক্রিয়ায় নিজের প্রতিনিধি নির্বাচন করা একটি বিশাল আমানত। ব্যক্তি যখ...