পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জীবনে যেভাবে স্বস্তির বিরতি আনে
ইহকালের জটিল জীবনের মানসিক ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখতে হবে, তার এক মনস্তাত্ত্বিক থেরাপি হরো নামাজ। আমরা যখন ওজু করি, তখন আমাদের ক্লান্ত স্নায়ুগুলো শীতল পানির স্পর্শে শান্ত হয়। এরপর যখন আমরা সমস্ত চিন্তা পেছনে ফেলে জায়নামাজে দাঁড়াই, তখন প্রকারান্তরে আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে এক নিবিড় ধ্যানে মগ্ন হই। নামাজ আমাদের শেখায় দিনে পাঁচবার নিজের ভেতরের অহংকার ও জাগতিক তাড়াকে একপাশে সরিয়ে রেখে জীবনের আসল উদ্দেশ্যকে নতুন করে স্মরণ করতে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নামাজের এই মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব বর্ণনা করে বলেছেন, “নিশ্চয়ই আমিই আল্লাহ, আমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; অতএব আমার ইবাদত করো এবং আমার স্মরণে নামাজ কায়েম করো।” (সুরা ত্বহা, আয়াত: ১৪) মহানবী (সা.) বলেছেন, “তোমাদের কী মনে হয়? যদি তোমাদের কারও বাড়ির দরজার সামনে একটি নদী থাকে আর সে প্রতিদিন তাতে পাঁচবার গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে?” সাহাবিরা বললেন, “না, কোনো ময়লা বাকি থাকবে না।” নবীজি (সা.) বললেন, “পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের উদাহরণও ঠিক তেমনই; এর মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার সমস্ত গুনাহ ও কলুষতা মুছে দেন।” (সহিহ বুখারি, হাদ...