হজ–পরবর্তী জীবন: যেভাবে পরিবর্তন ধরে রাখা যায়
হজ মানুষের আত্মিক পুনর্জন্মের আধ্যাত্মিক সফর। পবিত্র কাবাঘরের সামনে দাঁড়িয়ে, আরাফার ময়দানে অশ্রুসিক্ত দোয়ায় নিমগ্ন হয়ে কিংবা মিনার প্রান্তরে কোরবানির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একজন মুমিন নতুন জীবনের অঙ্গীকার নিয়ে ফিরে আসেন। হাদিসে এসেছে, ‘কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৭৭৩) তাই হজের প্রকৃত সফলতা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখার মধ্যেই নিহিত। হজ মানুষের হৃদয়ে খোদাভীতি ও আত্মশুদ্ধির গভীর বোধ সৃষ্টি করে। ইহরামের শুভ্রতা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়, দুনিয়ার সব অহংকার ও বিভাজন একদিন মুছে যাবে। আরাফার ময়দান মানুষকে কেয়ামতের সমাবেশের কথা মনে করিয়ে দেয়। তওয়াফ শেখায়, জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেক সময় দেখা যায়, হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে নিম্নোক্ত কাজগুলো করা যেতে পারে। ইবাদতের ধারাবাহিকতা সর্বাবস্থায় ইবাদতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি। হজ মানুষের ভেতর ইবাদতের ব্যাপারে নতুন অনুরাগের জন্ম দেয়। নিয়মিত ইবাদত আ...