সুস্থ শরীরে হজ পালন: কিছু জরুরি পরামর্শ
আমাদের দেশ থেকে সাধারণত ৫০ বা ৬০ বছর বয়সের পর অধিকাংশ মানুষ হজে যান। বয়সের কারণে এ সময় নানা শারীরিক জটিলতা থাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। হজ কিছুটা পরিশ্রমসাধ্য ইবাদত হলেও আল্লাহ–তাআলা তা সহজ করে দেন। তবে মক্কা ও মদিনার প্রচণ্ড তাপমাত্রা (গড় ২৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং দীর্ঘ পথ হাঁটার কারণে অনেক হাজি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হজের সময় সাধারণত ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, পায়ের তালু ফেটে যাওয়া, ফোসকা পড়া, পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। হজের সময় সাধারণত ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, পায়ের তালু ফেটে যাওয়া, ফোসকা পড়া, পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যা বেশি দেখা দেয়। পানিশূন্যতা রোধে করণীয় তৃষ্ণা পাওয়ার আগেই পানি পান করার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন অন্তত ৩.৫ থেকে ৫ লিটার পানি পান করা উচিত। জমজমের পানি পানের ক্ষেত্রে খুব বেশি ঠান্ডা পানি পরিহার করুন; সাধারণ তাপমাত্রার (Not Cold) পানি পান করাই ভালো। প্রতি এক-দুই ঘণ্টা অন্তর দুটি খেজুরের সঙ্গে এক চুমুক জমজমের পানি পান করলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং ডিহাইড্রেশন বা পানি...