সামাজিক মাধ্যমে অন্যের সম্মানহানি করার পরিণতি
মানবসভ্যতা ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বের মূল মাপকাঠি হলো মানুষের পারস্পরিক আচরণ। ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সমাজ জীবনে মানুষের সঙ্গে কীরূপ আচরণ করা হচ্ছে, তা ইসলামের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়। একাধিক হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কেয়ামতের ময়দানে একজন মুমিনের আমলনামায় সবচেয়ে ভারী বস্তু হবে তার সুন্দর চরিত্র। রাসুল (সা.) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন মুমিনের মিজানে সুন্দর চরিত্রের চেয়ে অধিক ভারী আর কোনো কিছু হবে না। আর আল্লাহ তাআলা অশ্লীল ও কটুভাষীকে চরম অপছন্দ করেন।” (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৭৯৯; সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২০০২) ইসলাম সুন্দর চরিত্রকে কেবল একটি নৈতিক গুণ হিসেবেই দেখেনি, বরং একে উচ্চতর ইবাদতের মর্যাদা দিয়েছে। একজন ব্যক্তি তার স্বভাবজাত নম্রতা ও আচরণের মাধ্যমে সেই স্তরে পৌঁছাতে পারেন, যেখানে একজন নিয়মিত রোজা পালনকারী ও তাহাজ্জুদ আদায়কারী ব্যক্তি পৌঁছান। (মুস্তাদরাকে হাকিম, ১/১২৮, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, ২০০২) সামাজিক মাধ্যমে অন্যের সম্মানহানি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে অন্যের সম্মানহানি করার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছদ্মনাম ব্যবহার করে আলেম-ওল...