সভ্যতা রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে কোরআনের অনন্য দর্শন
প্রাক-ইসলামি আমলে এমন অনেক জাতি ছিল, যারা শক্তি, প্রাচুর্য ও অহমিকায় মত্ত ছিল। তারা দিগ্বিদিকে বিজয়ের পতাকা উড়িয়েছে, রাজত্বের সীমানা বিস্তার করেছে এবং অন্য জাতির ঐশ্বর্য-সম্পদ কেড়ে নিয়েছে। তাদের অনুসৃত পদ্ধতি ছিল বর্বর ও পাশবিক। কোনো ন্যায়নীতির তোয়াক্কা তারা করত না। বিভিন্ন শহর দখল করার সময় তারা নাগরিক স্থাপত্য ও সভ্যতা অবলীলায় ধ্বংস করে দিত। মানুষের ঘরবাড়ি লুণ্ঠন করত এবং স্থানীয়দের দাসে পরিণত করত। বিজয়ের পর তারা এমন প্রশাসক নিযুক্ত করত, যারা সাধারণ মানুষের ওপর অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে যেত। ইতিহাসজুড়ে বিজয়ী শক্তিগুলোর চরিত্র ছিল এমনই। প্রাচীন শেবা নগরের রানি বিলকিস এই বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছিলেন, যখন তাঁর কাছে সোলাইমান (আ.)-এর চিঠি পৌঁছেছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘রাজা-বাদশাহরা যখন কোনো জনপদে প্রবেশ করে, তখন তা বিপর্যস্ত করে দেয় এবং সেখানকার মর্যাদাবান ব্যক্তিদের অপদস্থ করে।’ (সুরা নামল, আয়াত: ৩৪) ইসলাম কঠোরভাবে দুর্নীতি ও বিপর্যয় সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে। ইসলাম তার অনুসারীদের অন্তর থেকে এই ঘৃণ্য ব্যাধি আমূলে উপড়ে ফেলেছে। প্রতি যুগেই বিভিন্ন জাতির হাতে সংঘটিত এমন নৃশংসতা ও বর্বরতার গল...