পোস্টগুলি

জ্বিন-ভূত যতই খারাপ হোক, কালো জাদু এবং বদ নজর যতই ভয়ংকর হোক এই তেত্রিশ আয়াত পড়লে সব দূর হয়ে যাবে

ছবি
  তেত্রিশ আয়াত হচ্ছে- সূরা বাক্বারা ১-৫ সূরা বাক্বারা ২৫৫-২৫৭ সূরা বাক্বারা ২৮৪-২৮৬ সূরা আ‘রাফ:৫৪-৫৬ সূরা ইসরা:১১০-১১১ সূরা সাফফাত:১-১১ সূরা আর রাহমান:৩৩-৩৫ সূরা হাশর:২১-২৪ সূরা জিন:১-৪

বড় রোজা ছোট রোজা

ছবি
  বড় রোজা ছোট রোজা   সায়্যিদ আবুল হাসান আলি হাসানি নদভি ১৯১৩ সালে ভারতে জন্মগ্রহণ করেন। উর্দু, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় ইসলাম ও অন্যান্য বিষয়ে ৫০টির মতো গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লিখিত ‘মা যা খাসিরাল আ-লামু বিইনহিতাতিল মুসলিমিন’ (মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারাল?) গ্রন্থটি বিশ্বের বহু ভাষায় অনূদিত ও প্রশংসিত হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তা ছাড়া জীবদ্দশায় ভারত ও আরব বিশ্বের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছেন। ইসলামি ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে ‘কিং ফয়সাল প্রাইজ’ লাভ করেছেন। কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রিও লাভ করেছিলেন। বর্তমান লেখাটি তাঁর একটি ভাষণের লিখিত রূপ। ভাষণটি তিনি ২৩ রমজান ১৪১৫ হিজরিতে বাদ জুমা রায়বেরেলভির মসজিদে শাহ ইলমিল্লাহে প্রদান করেছিলেন। লিখিত ভাষণটিতে বেঁচে থাকাবস্থায় তিনি নিজে চোখ বুলিয়েছিলেন। প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য লেখাটি উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন সালেহ ফুয়াদ। আজ আপনাদের এক নতুন কথা শোনাব। যদিও কথাটি আদতে নতুন নয়। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল...

বাইতুল মুকাদ্দাস

ছবি
  ‘মসজিদুল আকসা বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। যেটি জেরুসালেমের পুরনো শহরে অবস্থিত। এটা মুসলমানদের কাছে ‘বায়তুল মোকাদ্দাস বা ‘আল আকসা’ মসজিদ নামে পরিচিত। ইসলামি স্থাপনার প্রাচীন এই নমুনাটি মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সমানভাবে পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। ঈসা আ: ও মরিয়ম আ:-এর সাথে প্রাচীনতম ইবাদতঘর বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদে আকসার সম্পর্ক সুনিবিড়ভাবে জড়িত। মুসলিমদের কাছে আল আকসা মসজিদ নামে পরিচিত স্থাপনাটি ইহুদিদের কাছে ‘টেম্পল মাউন্ট’ নামে পরিচিত। আল আকসা হচ্ছে-ইসলামের প্রথম কেবলা এবং মক্কা ও মদিনার পর তৃতীয় পবিত্র স্থান। মসজিদুল আকসায় এক রাকাত নামাজ আদায় করলে ২৫০ অন্য বর্ণনায় ৫০০ রাকাতের সাওয়াব পাওয়া যায়। শেষ জামানার ঘটনাবলির কারণেও এ এলাকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলেই দাজ্জাল ও ঈসা আ:-এর আগমন ঘটবে। বিশ্বনবী সা: মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল-আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকেই তিনি ঊর্ধ্বাকাশের দিকে যাত্রা করেন। বিশ্বনবী সা: মিরাজ গমনের শুরুতে এই মসজিদে সব নবি–রাসুলের ইমামতি করে নামাজ আদায় করেন। এতে তিনি ‘ইমামুল আম্বিয়া’ অর্থাৎ সকল নবির...

যেভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর ওপর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল

ছবি
  যেভাবে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর ওপর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদ (সা.)–এর বয়স যখন চল্লিশ, তখন আল্লাহ সব মানবজাতির প্রতি রহমত হিসেবে তাঁকে ‘সমস্ত মানুষের জন্য সুসংবাদদাতা’ রূপে প্রেরণ করেন। আল্লাহ তাঁর আগে যত নবী প্রেরণ করেছেন, সবার সঙ্গে তাঁর এমন একটা অঙ্গীকার ছিল যে তিনি তাঁর প্রতি বিশ্বাস আনবেন, তাঁর সত্যতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবেন, তাঁর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁকে সাহায্য করবেন এবং তাঁর এই নির্দেশ, যারাই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনবে, তাদের কাছে পৌঁছে দেবেন। এবং তারা সবাই অনুরূপভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.)–কে বললেন, যখন আল্লাহ নবীদের অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, তখন (তিনি বলেছিলেন) এই কিতাব ও হিকমত যা কিছু দিলাম, তার শপথ, তোমাদের কাছে যা আছে তার সমর্থক রূপে একজন রাসুল আসবে, তখন তোমরা তাকে বিশ্বাস করবে এবং সাহায্য করবে। তিনি বললেন, ‘তোমরা কি রাজি আছ? গ্রহণ করেছ আমার এই অঙ্গীকার?’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা গ্রহণ করলাম।’ তিনি বললেন, ‘তবে তোমরা এর সাক্ষী থাকো এবং আমিও তোমাদের সঙ্গে সাক্ষী রইলাম।’ এমনি করে আল্লাহ সব নবীর অঙ্গীকার আদায় করেছিলেন যে তাঁরা তার সত্য...

রমজানে তামাকমুক্ত জীবন

ছবি
  রমজানে তামাকমুক্ত জীবন ইসলামে সব ক্ষতিকর জিনিস নিষিদ্ধ। ধূমপান মাদকের প্রথম ধাপ। মাদক মাকাসিদে শরিয়া বা শরিয়তের বিধানগুলোর উদ্দেশ্যাবলির অন্তরায়। মাকাসিদে শরিয়া হলো জীবন রক্ষা, সম্পদ রক্ষা, জ্ঞান রক্ষা, বংশ রক্ষা, ধর্ম রক্ষা। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘মাদক হলো সব পাপের সমন্বয়ক।’ (রাজিন)। ‘মাদক পাপাচারের মূল এবং কবিরা গুনাহের অন্যতম।’ (তবরানি ও বায়হাকি)। কারণ, মাদক এমন পাপ, যা সব পাপের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। এ জন্যই সব ধরনের মাদক ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যেকোনো পানীয় (বা বস্তু) নেশা উদ্রেক করে তা হারাম।’ (বুখারি, প্রথম খণ্ড: ২৪১)। ধূমপান ও তামাক একপর্যায়ে নেশায় পরিণত হয়, যা ছাড়া ধূমপায়ী ও মাদকসেবী থাকতে পারে না। ইসলামি শরিয়তে নেশা সর্বৈব হারাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসী মুমিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদি ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু; শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা বর্জন করো; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। শয়তান তো মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদের আল্লাহর স্মরণ হতে ও সলাতে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?’ (সুরা-৫ মা...

শবে কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য

ছবি
  শবে কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বরকতময় রাত হলো শবে কদর। জীবন্ত মুজিজা মহাগ্রন্থ আল–কোরআন এই রাতেই প্রথম নাজিল হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মাহাত্ম্যপূর্ণ রজনীতে। আপনি কি জানেন মহিমাময় রাত্রি কী? মহিমান্বিত নিশি সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাত্রিতে ফেরেশতারা রুহুল কুদুস হজরত জিবরাইল (আ.) সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সকল বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা উদয় পর্যন্ত।’ (সুরা-৯৭ কদর, আয়াত: ১-৫)। আরবিতে ‘লাইলাতুল কদর’ বা কদর রজনী, এর ফারসি হলো শবে কদর। অর্থ সম্মানিত মর্যাদাপূর্ণ ও মহিমান্বিত, সম্ভাবনাময়, ভাগ্যনির্ধারণী রজনী। পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস রমজান মাস, কোরআন নাজিলের রাত শবে কদর। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার জাবালে রহমত তথা হেরা পর্বতের গুহায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে জিবরাইল (আ.)–এর মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি কোরআন কারিম অবতীর্ণের সূচনা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি রূপে ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট ...