‘হে আমার সন্তান, নামাজ কায়েম করো’
পবিত্র কোরআনে রয়েছে হজরত লুকমান তাঁর সন্তানকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন, “হে আমার সন্তান, নামাজ কায়েম করবে, ভাল কাজের আদেশ করবে ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করবে এবং আপদে-বিপদে ধৈর্য ধারণ করবে, এটাইতো দৃঢ় সংকল্পের কাজ।” (সুরা লুকমান, আয়াত: ৩১) নামাজ ইসলামের মৌলিক স্তম্ভগুলোর মধ্যে একটি, যা মুসলিম জীবনের ভিত্তি। এটি বান্দার সঙ্গে তার প্রতিপালকের মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক তৈরি করে। নামাজ শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং এটি হৃদয়ের শান্তি, আত্মার প্রশান্তি এবং জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার শক্তির উৎস। পূর্ববর্তী নবীগণ যখনই কোনো বিপদে পড়তেন, তখন নামাজের আশ্রয় নিতেন। মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২৬৩৩৫ তবুও অনেকে নামাজের প্রতি অবহেলা করে, হয় সম্পূর্ণ ত্যাগ করে, হয় কিছু নামাজ আদায় করে বাকিগুলো ছেড়ে দেয়, অথবা শুধু রমজানে নামাজ পড়ে। নামাজের প্রতি অবহেলা কল্পনা করুন, একজন মানুষ তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখার জন্য হাঁটছেন। তিনি মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন, আজান ও ইকামতের ধ্বনি শুনছেন, কিন্তু তিনি থামছেন না। মনে হচ্ছে, মুয়াজ্জিনের ডাক যেন তার জন্য নয়। তিনি গরমে হাঁটতে পারেন, কিন্তু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদে পাঁচ মিনিটে...