পোস্টগুলি

একজন মুসলিম যুবককে যদি আপনি পাঁচটি পরামর্শ দিতে চান?

ছবি
  The Thinking Muslim: একজন মুসলিম যুবককে যদি আপনি পাঁচটি পরামর্শ দিতে চান, কি কি হবে সেগুলো? হামজা জর্জিস: প্রথম যে বিষয়টি আমি বলবো, আকিদা। আল্লাহর নাম এবং গুণাবলী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। প্রায়োগিক আকিদা সম্পর্কে জানুন। কি রকম সেটা? একটা সহজ উদাহরণ দিচ্ছি। এলজিবিটিকিউর প্রচারকেরা মনে করে তারা তাদের শরীরের মালিক; তাই তারা তাদের শরীর নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। কিন্তু ইসলামী আকিদা অনুযায়ী আমরা বিশ্বাস করি- আল্লাহ হলেন রব। তিনি সবকিছুর মালিক। তিনি আমাদের শরীরেরও মালিক। তাই আমরা আমাদের শরীর নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারি না। এ জন্যে আমাদের যুবকদের প্রায়োগিক আকিদা সম্পর্কে শিখতে হবে এবং আল্লাহর নাম এবং গুণাবলী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। যখন শিখবেন আল্লাহ হলেন আর-রাহমান, যিনি অসীম দয়ালু; তখন আমাকেও একজন মানুষের সামর্থ অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব দয়ালু হতে হবে। আল্লাহ হলেন আল-মুতাকাব্বির। অর্থাৎ তিনি হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ এবং গৌরবান্বিত। আমি যেহেতু তাঁর একজন দাস মাত্র, তাই আমাকে এখন তাঁর সামনে একেবারে বিনম্র এবং বিনয়ী হতে যেতে হবে। এভাবে আল্লাহর নাম এবং গুণাবলীগুলোর আলোকে নিজ জীবনকে সৌন্দ...

নৈতিকতা রক্ষার সর্বশেষ দূ্র্গ

ছবি
  নৈতিকতা রক্ষার সর্বশেষ দূ্র্গ (১ম পর্ব) ------------------ * ----------------- একশো বছর আগেও আমেরিকাতে ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ বিয়ের আগে কোনো শারীরিক সম্পর্কে জড়াতো না। আর এখন ৯৫ শতাংশ মানুষ বিয়ের আগেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তাহলে বিয়ের গুরুত্ব আর থাকলো কোথায়!! একশো বছর পূর্বে ৯০ শতাংশ মেয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। আর এখন ৫০ শতাংশের চেয়েও কম মানুষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ আছে। আমেরিকার অধিকাংশ মানুষ এখন একা থাকে। সমগ্র পারিবারিক ব্যবস্থাপনা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে, নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। আমরা আর কতকাল আমাদের মুখ বন্ধ করে রাখবো। আর কতকাল আমরা এসব নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাবো। আমরা কিসের অপেক্ষায় আছি? এমনকি আমাদের মুসলিম ভাই বোনেরাও এখন বৈবাহিক সম্পর্কে যুক্ত থাকতে হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের মুসলিম সমাজেই বৈবাহিক বিচ্ছেদ এখন আকাশচুম্বী। বহু উচ্চ শিক্ষিত, যোগ্যতাসম্পন্ন মুসলিম বোনেরা নিজেদের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন, ধার্মিক, ভদ্র স্বামী খুঁজে পাচ্ছে না। এর অন্যতম বড় কারণ হলো আমরা নারী পুরুষের সংজ্ঞা পরিবর্তন করে ফেলেছি। নারীদের স্বাধীন করার ছদ্মবেশে, নারীত্বের সংজ্ঞা পুনঃনির্ধারণের ছদ্মবেশে নারীব...

জান্নাতুল ফিরদাউসে যাওয়ার সুযোগ

ছবি
  প্রতিটি মানুষের জান্নাতুল ফিরদাউসে যাওয়ার সুযোগ আছে। আপনার আমার আমাদের সবার। আর সেটা দূরের কোনো জিনিস না। দূরত্বটা মূলত মৃত্যু। যে কোনো সময় সেটা ঘটে যেতে পারে। প্রশ্ন হলো আপনি কি আসলেই সেখানে যেতে চান? সে জন্য যেরকম জীবন অতিবাহিত করার কথা আপনি আমি কি তা করছি? রাসূলুল্লাহ (স) এর এক বিস্ময়কর হাদিস। রাসূল (স) বলেন- "আল্লাহ জান্নাতুল ফিরদাউসে সকল মানুষের জন্য ঘর তৈরি করে রেখেছেন।" সকল মানুষের জন্য, শুধুমাত্র বিশ্বাসীদের জন্য না। কিন্তু কিছু মানুষ ওখানে যেতে চায় না। বিশ্বাসীরা যখন যাবে তখন তারা অনেক খালি ঘর দেখতে পাবে। সুতরাং তারা সে ঘরগুলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাবে। আপনার প্রতি আল্লাহর প্রত্যাশা রয়েছে যে আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন। সুতরাং এটা নষ্ট করবেন না। দুর্বল ঈমান নিয়ে থাকবেন না। আল্লাহর প্রতি নিজের বিশ্বাস হারাবেন না। জীবনের কঠিন সময় গুলোকে এভাবে দেখুন—আল্লাহ দেখতে চান আপনি সেই ঘরগুলোর জন্য কতটুকু মূল্য দিতে চান। এমন জান্নাত যেখানে আপনার বয়স হবে ৩৩, কোনোদিন বৃদ্ধ হবেন না এবং অসুস্থ হবেন না। দুঃখ বা দুঃশ্চিন্তা কোনোদিন আক্রমণ করবে না। শারীরিক শক্তিমত্...

যে ঢেউ আল-আকসাকে মুক্ত করেছিল

ছবি
  যে ঢেউ আল-আকসাকে মুক্ত করেছিল ------------------------*----------------------- ১০৯৯ সালের জুলাই মাসে ক্রুসেডাররা, তাদের দৃষ্টিত, আল আকসা আক্রমণ করে সফলভাবে দখল করে নেয়। আপনারা সবাই জানেন, মধ্যযুগের সবচাইতে ভয়ঙ্করতম গণহত্যা চালিয়েছিল তারা ওখানে। মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ জেরুযালেম শহর গণহত্যার বলী হয়ে যায়। নারী, শিধু, হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে তারা। এর ফলাফল কি হয়েছিল? আমরা বেশীরভাগই সরাসরি ১১৮৭ সালে চলে যাই। এই ঘটনা ঘটেছিল ১০৯৯তে, আর আমরা লাফ দেই ১১৮৭-এ। সেই সালে কি হয়েছিল? সালাহুদ্দিন আইয়্যুবি, হিত্তিনের যুদ্ধ। কিন্তু এই ১০৯৯ থেকে ১১৮৭ এর মধ্যে কতো বছরের ব্যবধান? ৮৮, ৮৯ বছর। কিন্তু মধ্যবর্তী সময়টা কেমন ছিল? কি হয়েছিল সে অন্তর্বতীকালীন সময়ে? অনেক কিছু! আমরা যদি সালাহুদ্দিনকে সৃষ্টিকারী পরিস্থিতি বুঝতে না পারি, আমরা যদি সালাহুদ্দিন আসবার পূর্বসুত্রগুলো না ধরতে পারি, তাহলে আমরা স্বপ্ন দেখতেই থাকবো যে, আসমান থেকে আরেকজন সালাহুদ্দিন অলৌকিকভাবে নেমে আসবেন, যা করার করবেন। না, এভাবে হয় না। অনেক অনেক ঘটনা সালাহুদ্দিন তৈরির ভিত্তি তৈরি করেছিল। আমরা ...

তাওবা এবং নিজের সংশোধন

ছবি
  তাওবা এবং নিজের সংশোধন ------------------------------------- পৃথিবীতে এমন কোনো পাপ নেই যা ক্ষমারযোগ্য নয়। পৃথিবীতে কৃত সকল পাপ ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য। এ ক্ষমা পাওয়ার জন্য আপনাকে তাওবা করতে হবে। সূরা আলে ইমরানে আল্লাহ তায়ালা বলেন- "আর যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো দ্বীন গ্রহণ করতে চাইবে কক্ষনো তার সেই দ্বীন কবূল করা হবে না এবং আখেরাতে সে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ কীরূপে সেই সম্প্রদায়কে সুপথ দেখাবেন যারা ঈমান আনার পর, এ রসূলকে সত্য বলে স্বীকার করার পর এবং তাদের নিকট সুস্পষ্ট দলীল আসার পর কুফরী করে? বস্তুতঃ আল্লাহ যালিম কওমকে পথ দেখান না। এরাই তারা যাদের প্রতিফল এই যে, তাদের প্রতি আল্লাহর, ফেরেশতাদের এবং সমুদয় মানবের অভিসম্পাত। তারা ওতেই চিরকাল থাকবে, তাদের শাস্তি লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে বিরামও দেয়া হবে না।" তাহলে দেখা যাচ্ছে এদের উপর আল্লাহ দারুণ অসন্তুষ্ট। এদের অপরাধ ছোটো কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু এখন ঠিক এর পরের আয়াতটি খেয়াল করুন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এমনকি এদেরকেও বাঁচার একটি পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন- "কিন্তু তারা ছাড়া যারা এরপর...

ইয়েমেনিদের প্রশংসা

ছবি
  আমাদের রাসূলুল্লাহ (স) বহু হাদিসে ইয়েমেনিদের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন--"ইয়েমেনিরা তোমাদের কাছে এসেছে (তারা মদিনাতে এসেছিল ইসলাম গ্রহণ করতে), তাদের রয়েছে সবচেয়ে সেরা রূহ এবং কোমলতম অন্তর।" এরপর তিনি এই বিখ্যাত কথাটি বলেন- "আলঈইমা-নু ইয়ামানিন ওয়াল হিকমাতু ইয়ামা-নিয়্যাহ।" অর্থাৎ, ঈমান ইয়েমেনি এবং প্রজ্ঞাও ইয়েমেন থেকে। সহিহ বুখারির একটি হাদিসে এসেছে-- "আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফিই শা-মিনা ওয়া ফিই ইয়ামানিনা।" অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আমাদের শাম এবং ইয়েমেনে বারাকা দান করুন। সিরিয়া এবং ফিলিস্তিন সমগ্র অঞ্চলটাকে সে সময় শাম বলা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা) কে দাওয়াতি কাজের উদ্দেশ্যে ইয়েমেনে পাঠান। সেসময় তিনি মুয়াজকে উপদেশ প্রদান করেন- "মানুষের জন্য সহজ করো, কঠিন করো না। মানুষকে সুসংবাদ প্রদান করো আর তাদেরকে দূরে ঠেলে দিও না। মানুষের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করো, তাদের মাঝে বিভক্তি তৈরি করো না।" তিনি আবু মুসা আশয়ারিকেও ইয়েমেনের অন্য একটি প্রদেশে পাঠান। উনাদের হাতে গণহারে মানুষ ইসলামে দীক্ষিত হয়। আরব উপদ্বীপের অন্যান্য অ...

ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য

ছবি
  ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে সম্মানিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মর্যাদা উন্নত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের ভয় প্রশমিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের অসুস্থদের সুস্থ করে দিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের আহতদের আরোগ্য দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মৃতদের গ্রহণ করে নিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের উপর আপনার রহমতের বারিধারা বর্ষণ করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে দৃঢ়তা দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদেরকে দিয়ে তাদের প্রশান্তি দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা ...